
‘আমাদের বাঁকা চোখে দেখবেন না, আমিও মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে ছিলাম’ — চাঁদপুরে জেলা জামায়াত আমির বিল্লাল হোসেন
চাঁদপুর মুক্ত দিবসের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির বিল্লাল হোসেন মিয়াজী নিজেকে মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী হিসেবে পরিচয় দিয়ে বলেন, তাঁদের যেন ঘৃণার চোখে না দেখা হয়। সোমবার (চাঁদপুর মুক্ত দিবস) সকালে শহরের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
বিল্লাল হোসেন জানান, ১৯৭১ সালে তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। বয়সে ছোট হলেও তিনি ও তাঁর এলাকার আরও কয়েকজন কিশোর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য এলাকার বাড়ি–ঘর থেকে চাল, ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করে শিবিরে পৌঁছে দিতেন। তাঁর ভাষায়, সেই সময় তাঁদের মতো অনেক ছোট ছেলে মুক্তিযোদ্ধাদের রান্নাবান্না থেকে শুরু করে নানা কাজে সহযোগিতা করেছে। অথচ স্বাধীনতার পাঁচ দশকের বেশি সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও তাঁদের অনেককে সন্দেহ ও অবজ্ঞার দৃষ্টিতে দেখা হয়—এমন অভিযোগ করেন তিনি।
চাঁদপুর মুক্ত দিবস উপলক্ষে সোমবার সকাল ১০টার দিকে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ প্রাঙ্গণ থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে অংশগ্রহণকারীরা মুক্তিযুদ্ধের শহীদ স্মৃতি ভাস্কর্য ‘অঙ্গীকার’-এর পাদদেশে গিয়ে সমবেত হন। সেখানে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
পরবর্তী সময়ে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা বিএনপি, জেলা জামায়াতে ইসলামীর পাশাপাশি আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা একে একে শহীদ স্মৃতি ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এর মধ্য দিয়ে তাঁরা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহীদ এবং শহীদ পরিবারের জন্য মোনাজাত ও দোয়া করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলাম সরকারসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচারী। মুক্তিযোদ্ধা, তাঁদের পরিবার, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকেও এই কর্মসূচিতে দেখা যায়।
সংবাদটির পূর্ববর্তী শিরোনামে তথ্যগত ভুল থাকায় পরে তা সংশোধন করে নতুন শিরোনাম দেওয়া হয়েছে বলে আয়োজক সূত্রে জানা গেছে।
যদি চাও, আমি এটাকে এখন আবার ছোট করে ফেসবুক পোস্ট ভার্সন, বা সংবাদপত্রের লিড + বুলেট পয়েন্ট আকারেও সাজিয়ে দিতে পারি।