ছবির ক্যাপশন: সুব্রত দাশ, আশাশুনি(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : আশাশুনির পিরোজপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মারপিটের ঘটনায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে শিক্ষক আশীষ কুমার কে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ষড়যন্ত্রমূলকভাবে শিক্ষককে মামলায় জড়িয়ে হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন
সুব্রত দাশ, আশাশুনি(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : আশাশুনির পিরোজপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মারপিটের ঘটনায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে শিক্ষক আশীষ কুমার কে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার বিকালে সচেতন এলাকাবাসীর উদ্যোগে পিরোজপুর সানা বাড়ি যজ্ঞ স্থলে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, প্রতিবেশী সাবেক সেনা সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, তাপস সানা, রাজিয়া খাতুন, মরিয়ম খাতুন, রওশনারা খাতুন, আনোয়ারা খাতুন প্রমুখ। বক্তারা বলেন, গত শনিবার দুপুরে সাবেক মেম্বার তারক সানা ও তার চাচাতো ভাই ঠাকুর দাস সানা নিজেদের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নিজেদের মধ্যে মারামারি করে উভয় পক্ষের কয়েক জন আহত হয়। এ ঘটনায় উভয় পক্ষ থানায় পৃথক পৃথক এজাহার দায়ের করেছেন। কিন্তু তারক সানা গ্রামের পূজা কেন্দ্রিক বিরোধকে সামনে রেখে সম্পুর্ন ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ৫৭ নং পিরোজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আশিক সানাকে এজাহার ভুক্ত আসামি করে। হাবিবুর রহমান জানান, মারপিটের আগেই ওই শিক্ষক স্থানীয় বটতলা থেকে আমার সাথে কথা বলতে বলতে আমার বাসায় আসেন, পরে জানতে পারি যে তারক সানা ও ঠাকুর দাস মারপিট করেছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মারপিটের ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি হোক সেটা প্রতিবেশী হিসেবে আমরা চাই। কিন্তু এটাকে পুঁজি করে একজন শিক্ষককে জড়িয়ে হয়রানি করার জন্য তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
মানববন্ধনে উপস্থিত হয়ে ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে এজাহারে নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন মন্দিরের পুরোহিত নিরঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, তারক ও ঠাকুর দাস তারা জমিজমা নিয়ে নিজেরা মারপিট করে। এতে আমাদের কি যায় আসে। আমাদের কেন এ মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে আমরা জানি না। মানববন্ধন থেকে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মারপিটের ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি ও অহেতুক কাউকে জড়িয়ে হয়রানি না করতে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়
এ জাতীয় আরো খবর..