. .
.

মোঃ রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

রিপোর্টারের নাম: ফুলতলা প্রতিদিন
  • সংবাদ প্রকাশের তারিখ : Jan 15, 2026 ইং
  • ৭৮১ বার
ছবির ক্যাপশন: কেশবপুর আবু শারাফ সাদেক কারিগরি ও বাণিজ্যিক মহাবিদ্যালয়ের গনিতের প্রভাষক মোঃ রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

কেশবপুর আবু শারাফ সাদেক কারিগরি ও বাণিজ্যিক মহাবিদ্যালয়ের গনিতের প্রভাষক মোঃ রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা 

তুহিন হোসেন যশোর জেলা প্রতিনিধি 

যশোরের কেশবপুর আবু শারাফ সাদেক কারিগরি ও বাণিজ্যিক মহাবিদ্যালয়ের গনিতের প্রভাষক মোঃ রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে  বিয়ের প্রলোভনে এক নারী ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে, ভুক্তভোগী, মাহমুদা সুলতানা রেশমা বাদী হয়ে খুলনা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে মামলা দায়ের করেন।

মামলায় কেশবপুর আবু শারাফ সাদেক কারিগরি ও বাণিজ্যিক মহাবিদ্যালয়ের গনিতের প্রভাষক মোঃ রফিকুল ইসলামকে  আসামি করা হয়। আসামিদের বাড়ি কেশবপুরের আলতাপোল গ্রামে,  যার নাম্বার - ০৭/২৬ মামলা চলমান। এছাড়াও কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও অধ্যক্ষ বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন অভিযোগ ও মামালা সূত্রে জানা যায় -কেশবপুর আবু শারাফ সাদেক কারিগরি ও বাণিজ্যিক মহাবিদ্যালয়ের গনিতের প্রভাষক মোঃ রফিক ইসলাম , দীর্ঘ ৩ বছর ধরে খুলনা সহ বিভিন্ন জায়গায় স্বামী স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস করছেন।  অবশেষে ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পরে বেরিয়ে আসে তার সঠিক চরিত্র, শরু করেন রেশমার উপর, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন,  অবশেষে  দাবি করেন যৌতুকের ১০ লাক্ষ টাকা। দিতে অস্বীকৃতি জানালে ১০ দিনের মাথায় ৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ডিভোর্স দেন লম্পট দুশ্চরিত্রের শিক্ষক রফিকুল ইসলাম।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মাহমুদা সুলতানা রেশমা জানান  আমাদের ৩ বছরের সম্পর্ক এবং আমাদের দুজনের দ্বিতীয় বিয়ে। আমার ১০ বছরের একটা ছেলে সন্তান আছে, সেইটা রফিকুল জানে, আমার জন্মভূমি ও  রফিকুলের বাড়ি পাশাপাশি। রফিকুলের  স্ত্রীর অসুস্থতার কথা বলে আমার সাথে সম্পর্ক জড়ায়, আগের স্ত্রীর আমাদের বিবাহ কোন আপত্তি  ও নাই বলেন রফিকুল। এছাড়াও সম্পর্ক থাকা কালীন স্বামী রফিকুল ইসলাম ২ লক্ষ টাকা নিয়েছে ব'লে জানান তিনি। 

এ বিষয়ে বিবাদী রফিকুল ইসলাম সাথে যোগাযোগ করলে তিনি কলেজের বাইরে থাকায় তাকে পাওয়া যায়নি। অবশেষে  মুঠোফোনে যোগাযোগ হলে তিনি বলেন আমাদের চালার পথে তার সাথে পরিচয় ছিল তাই আমাদের বিয়ে হয়েছে। ৩ বছর সম্পর্ক ছিল তার একটা ডকুমেন্ট  আপনি দেখান। আর অভিযোগে প্রেক্ষিতে আপনি নিউজ করতে পারেন না বলে বাধা সৃষ্টি হয়। তিনি আরো বলেন ভুক্তভোগী তথ্য গোপন ছিল। আমার তার সাথে ব্যক্তিগত মেয়ের ও সম্পর্ক ছিল তাকে আমি চিনি বিয়েও করেছি।

.
কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
.
--
--